মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেছেন, “তিনটি জেলা নিয়ে গঠিত চলনবিল মাছ ও প্রাকৃতিক সম্পদে ভরপুর| বিগত সরকারের লুটপাটের কারণে চলনবিল উন্নয়ন বঞ্চিত ছিলো| এ বিলের ঐতিহ্য ফেরাতে সরকার কাজ করছে| চলনবিলাঞ্চলে মৎস প্রক্রিয়াকরণ এলাকা ও গবেষনা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে| এ অঞ্চলে দেশীয় মাছের উৎপাদন বাড়াতে এবং ঐতিহ্য ধরে রাখতে সব ধরনের উন্নয়ন করবে সরকার।”
নাটোরের গুরুদাসপুরে মৎস্য চাষী সম্মেলন উপলক্ষে উপজেলার বৃ-পাথুরিয়া উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতীতের বক্তব্যকালে প্রতিমন্ত্রী টুকু এসব কথা বলেন|
শনিবার (৯ মে) বিকেলে মৎস্য মেলার উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ অ্যাডভোকেট রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এমপি| মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুহাম্মদ জিয়া হায়দার চৌধুরীর সভাপতিত্বে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. আব্দুল আজিজ, মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ সচিব দেলোয়ার হোসেন, ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক আরিফ হোসেন,রাজশাহী বিশ^বিদ্যালয়ের মৎস্য অনুষদের ডিন ড. মোস্তাফিজুর রহমান প্রমুখ বক্তব্য রাখেন|
মৎস চাষী ও এলাকার বিভিন্ন সমস্যা তুলে ধরে বক্তব্য রাখেন জাফর ইকবাল নয়ন, জেলা মৎস্য চাষী কল্যাণ সমিতির সভাপতি ওমর আলী,সম্পাদক হাসান জাহিদ শিহাব,খামারি জাকির হোসেন প্রমুক্ত|
আয়োজকরা জানান,এ অঞ্চলে ২ হাজার পুকুর রয়েছে| যেখানে ১ হাজার ২০০ চাষি চাষ চাষের সাথে সম্পৃক্ত| এ অঞ্চলে উৎপাদিত ১ লাখ ১৫ হাজার টন জিবন্ত মাছ স্থানীয় চাহিদা পুরণ শেষে সারা দেশে রপ্তানী করা হচ্ছে| তারা বিদেশী মাছ আমদানী বন্ধ,এলাকায় অপরিকল্পিত পুকুর খননের ফলে জলাবদ্ধতার নিরশনে মন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা করেন|
সকাল থেকে মৎস্য উপকরণ প্রদর্শন,দেশীয় প্রজাতীর মাছ ও আহরণ সামগ্রী এবং আধুনিক প্রযুক্তি প্রদর্শন করা হয়| এছাড়া ওই সম্মেলনে মৎস ও প্রানী সম্পদ সংশ্লিষ্ঠ ২০টি স্টল প্রতিমন্ত্রী ও অতিথিরা ঘুরে দেখেন|

নিজস্ব সংবাদদাতা 











