ঢাকা বাংলাদেশ , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মাদক ও নারীসহ যুবদল নেতা আটক, দুপুরে কোর্টে সোপর্দ-বিকালে জামিন মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগির ভিডিও ভাইরাল, যুবদল নেতা বহিষ্কার সরকারি প্রকল্পের নামে চলছে লুটপাট, দেড় কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে অনিয়ম চলনবিলে মৎস গবেষনা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার জুমাইখিরা গ্রামের বিল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ব্যস্ত সময় পার করছেন সঙ্গীতশিল্পী ফরহাদ হুসাইন হ্যাটট্রিক সাফ মিশনে বাংলাদেশ, নেই স্বপ্না, মুনকি ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত : রুবিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে সিএজি’র অডিট রিপোর্ট দাখিল গুরুদাসপুরে ছিনতাই-ডাকাতির দৌরাত্ব, আতঙ্কে এলাকাবাসী

ইবিতে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ১২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫
  • ১৯ বার পঠিত

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়া সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী জারিন তাসনীম পুষ্প।শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকের নিকট এই আবেদনটি জমা দেন তিনি।

 

অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অডিও ক্লিপে নাসির উদ্দিন মিঝিকে শহীদ সাজিদ সম্পর্কে ‘কোথাকার কোন মৃত ছেলে, সে তো মইরাই গেছে’ বলে অবমাননাকর মন্তব্য করতে শোনা যায়। একই সঙ্গে তিনি সাজিদের বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত এক নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে ‘জিন্স পরা, ল্যাংটা মেয়ে, মানুষ না হইওয়ান’ ইত্যাদি কটুক্তি করেন। উক্ত বক্তব্য নারী বিদ্বেষমূলক, অপমানজনক ও শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে হেনস্তা করার শামিল।

 

তারা আরও উল্লেখ করেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তিনি ‘শাওয়ার আন্দোলন’ বলে বিদ্রূপ করেন এবং ‘ওই মেয়ে আল কুরআনের কে, ওর হাতে মাইক দিছে কে’ বলে আন্দোলনের অধিকার খর্বের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।

 

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি— সংশ্লিষ্ট অডিয়োটির সত্যতা নাসির উদ্দিন মিঝি নিজেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে স্বীকার করেছেন। তারা বলেন, এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ক্ষোভ ও জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির নিরপেক্ষতা ও ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এতে তারা ৩০ ঘণ্টার মধ্যে স্বপদ হতে বহিষ্কার করে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষ ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

 

আবেদনপত্র গ্রহণ শেষে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার ড. মো. মনজুরুল হক বলেন, “শিক্ষার্থীদের দেওয়া লিখিত আবেদনটি গ্রহণ করলাম। এটি আমি উপাচার্য বরাবর প্রেরণ করবো। পরবর্তীতে প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

উল্লেখ্য, এর আগে অভিযুক্ত সেই শিক্ষক সংবাদ সম্মেলন করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন এবং তিনি জানিয়েছিলেন, ‘সাজিদ আব্দুল্লাহর জন্য বিচারের দাবিতে আমি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্দোলন করেছি এবং প্রশাসনিকভাবে বিষয়টি এগিয়ে নিতে ভিসি, প্রো-ভিসি, ইবি থানার ওসি-সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। তবে অন্যান্য শিক্ষকদের ও এক ছাত্রের সঙ্গে আলাপের সময় অসাবধানতাবশত কিছু শব্দ ব্যবহারে ভুল হয়েছে। এজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’

Gurudaspur Somoy

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সর্বাধিক পঠিত

মাদক ও নারীসহ যুবদল নেতা আটক, দুপুরে কোর্টে সোপর্দ-বিকালে জামিন

ইবিতে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা শিক্ষকের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের

প্রকাশিত : ১২:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৫

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) কুরুচিপূর্ণ মন্তব্যের অডিও ক্লিপ ভাইরাল হওয়া সেই শিক্ষকের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ দিয়েছে ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী জারিন তাসনীম পুষ্প।শনিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মনজুরুল হকের নিকট এই আবেদনটি জমা দেন তিনি।

 

অভিযোগ পত্রে উল্লেখ করা হয়, সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি অডিও ক্লিপে নাসির উদ্দিন মিঝিকে শহীদ সাজিদ সম্পর্কে ‘কোথাকার কোন মৃত ছেলে, সে তো মইরাই গেছে’ বলে অবমাননাকর মন্তব্য করতে শোনা যায়। একই সঙ্গে তিনি সাজিদের বিচারের দাবিতে আন্দোলনরত এক নারী শিক্ষার্থীকে নিয়ে ‘জিন্স পরা, ল্যাংটা মেয়ে, মানুষ না হইওয়ান’ ইত্যাদি কটুক্তি করেন। উক্ত বক্তব্য নারী বিদ্বেষমূলক, অপমানজনক ও শিক্ষার্থীদের মানসিকভাবে হেনস্তা করার শামিল।

 

তারা আরও উল্লেখ করেন, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের তিনি ‘শাওয়ার আন্দোলন’ বলে বিদ্রূপ করেন এবং ‘ওই মেয়ে আল কুরআনের কে, ওর হাতে মাইক দিছে কে’ বলে আন্দোলনের অধিকার খর্বের অভিপ্রায় ব্যক্ত করেন।

 

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের দাবি— সংশ্লিষ্ট অডিয়োটির সত্যতা নাসির উদ্দিন মিঝি নিজেই বিভিন্ন গণমাধ্যমে স্বীকার করেছেন। তারা বলেন, এই ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়জুড়ে ক্ষোভ ও জনরোষ সৃষ্টি হয়েছে, যা প্রতিষ্ঠানটির নিরপেক্ষতা ও ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এতে তারা ৩০ ঘণ্টার মধ্যে স্বপদ হতে বহিষ্কার করে যথাযথ তদন্ত সাপেক্ষ ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান।

 

আবেদনপত্র গ্রহণ শেষে ভারপ্রাপ্ত রেজিস্টার ড. মো. মনজুরুল হক বলেন, “শিক্ষার্থীদের দেওয়া লিখিত আবেদনটি গ্রহণ করলাম। এটি আমি উপাচার্য বরাবর প্রেরণ করবো। পরবর্তীতে প্রশাসনিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

 

উল্লেখ্য, এর আগে অভিযুক্ত সেই শিক্ষক সংবাদ সম্মেলন করে নিঃশর্ত ক্ষমা চেয়েছেন এবং তিনি জানিয়েছিলেন, ‘সাজিদ আব্দুল্লাহর জন্য বিচারের দাবিতে আমি বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের নিয়ে আন্দোলন করেছি এবং প্রশাসনিকভাবে বিষয়টি এগিয়ে নিতে ভিসি, প্রো-ভিসি, ইবি থানার ওসি-সহ সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখেছি। তবে অন্যান্য শিক্ষকদের ও এক ছাত্রের সঙ্গে আলাপের সময় অসাবধানতাবশত কিছু শব্দ ব্যবহারে ভুল হয়েছে। এজন্য আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত।’