ঢাকা বাংলাদেশ , শনিবার, ১৬ মে ২০২৬, ২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
ব্রেকিং নিউজ :
মাদক ও নারীসহ যুবদল নেতা আটক, দুপুরে কোর্টে সোপর্দ-বিকালে জামিন মাদক বিক্রির টাকা ভাগাভাগির ভিডিও ভাইরাল, যুবদল নেতা বহিষ্কার সরকারি প্রকল্পের নামে চলছে লুটপাট, দেড় কোটি টাকার সড়ক নির্মাণে অনিয়ম চলনবিলে মৎস গবেষনা কেন্দ্র স্থাপন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী টুকু পাবনার আটঘরিয়া উপজেলার জুমাইখিরা গ্রামের বিল থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার ব্যস্ত সময় পার করছেন সঙ্গীতশিল্পী ফরহাদ হুসাইন হ্যাটট্রিক সাফ মিশনে বাংলাদেশ, নেই স্বপ্না, মুনকি ইরানে সামরিক অভিযান সমাপ্ত : রুবিও প্রধানমন্ত্রীর কাছে সিএজি’র অডিট রিপোর্ট দাখিল গুরুদাসপুরে ছিনতাই-ডাকাতির দৌরাত্ব, আতঙ্কে এলাকাবাসী
কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য গুদাম

সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সাড়ে ৫০০ মেট্রিক টন ধান-চাল উধাও

  • অনলাইন ডেস্ক
  • প্রকাশিত : ০৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬
  • ৮৩ বার পঠিত

কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য গুদামে প্রায় সাড়ে ৫০০ মেট্রিক টন ধান ও চালের হদিস মিলছে না। অভিযান চালিয়ে ওই গুদামে ধান ও চালের মজুদে বড় ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানে ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চালের কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দুদক।

 

রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে দুদকের একটি দল কুড়িগ্রাম শহরের নতুন রেলস্টেশন এলাকার জেলা খাদ্য গুদামের ৮টি গোডাউন পরিদর্শন করে। এ সময় বিপুল পরিমাণ ধান ও চালের ঘাটতির বিষয়টি ধরা পড়ে।

 

এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দুদকের টিম কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামে আরেকটি অভিযান শুরু করে। সেখানে পৃথক পৃথক ৬টি গোডাউন তল্লাশি করা হয়। দুদকের ধারণা, এসব গোডাউনেও খাদ্যশস্যের হিসাবে ঘাটতি থাকতে পারে।

 

দুদক সূত্র জানায়, কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ, নতুন বস্তার বদলে পুরোনো বস্তা ব্যবহার এবং ধান ও চাল অন্যত্র বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

কুড়িগ্রাম জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সাবদারুর ইসলাম জানান, যেসব গোডাউনে ধান ও চালের ঘাটতি পাওয়া গেছে, সেগুলো সিলগালা করা হয়েছে। ঘাটতির বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য গুদামের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এ সময় খাদ্য অনুপযোগী চালও পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 

সুত্রঃ ইত্তেফাক

Gurudaspur Somoy

Write Your Comment

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Save Your Email and Others Information

About Author Information

সর্বাধিক পঠিত

মাদক ও নারীসহ যুবদল নেতা আটক, দুপুরে কোর্টে সোপর্দ-বিকালে জামিন

কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য গুদাম

সরকারি খাদ্য গুদাম থেকে সাড়ে ৫০০ মেট্রিক টন ধান-চাল উধাও

প্রকাশিত : ০৪:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ১১ জানুয়ারী ২০২৬

কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য গুদামে প্রায় সাড়ে ৫০০ মেট্রিক টন ধান ও চালের হদিস মিলছে না। অভিযান চালিয়ে ওই গুদামে ধান ও চালের মজুদে বড় ধরনের অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। অভিযানে ৫২১ মেট্রিক টন ধান ও ৩৫ মেট্রিক টন চালের কোনো হিসাব পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছে দুদক।

 

রোববার (১১ জানুয়ারি) দুপুরে দুদকের একটি দল কুড়িগ্রাম শহরের নতুন রেলস্টেশন এলাকার জেলা খাদ্য গুদামের ৮টি গোডাউন পরিদর্শন করে। এ সময় বিপুল পরিমাণ ধান ও চালের ঘাটতির বিষয়টি ধরা পড়ে।

 

এরপর সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে দুদকের টিম কুড়িগ্রাম সদর খাদ্য গুদামে আরেকটি অভিযান শুরু করে। সেখানে পৃথক পৃথক ৬টি গোডাউন তল্লাশি করা হয়। দুদকের ধারণা, এসব গোডাউনেও খাদ্যশস্যের হিসাবে ঘাটতি থাকতে পারে।

 

দুদক সূত্র জানায়, কৃষকদের কাছ থেকে সংগ্রহের পরিবর্তে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে নিম্নমানের চাল সংগ্রহ, নতুন বস্তার বদলে পুরোনো বস্তা ব্যবহার এবং ধান ও চাল অন্যত্র বিক্রি করে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগের ভিত্তিতে দুর্নীতি দমন কমিশনের প্রধান কার্যালয়ের নির্দেশে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

 

কুড়িগ্রাম জেলা দুদকের সহকারী পরিচালক মো. সাবদারুর ইসলাম জানান, যেসব গোডাউনে ধান ও চালের ঘাটতি পাওয়া গেছে, সেগুলো সিলগালা করা হয়েছে। ঘাটতির বিষয়ে জানতে চাইলে খাদ্য গুদামের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা কোনো সন্তোষজনক উত্তর দিতে পারেননি। বিষয়টি তদন্ত করে পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। এ সময় খাদ্য অনুপযোগী চালও পাওয়া গেছে বলে উল্লেখ করেন তিনি।

 

তবে এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে কুড়িগ্রাম জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাম্মদ কাজী হামিদুল হকের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকে পাওয়া যায়নি।

 

সুত্রঃ ইত্তেফাক